জাতীয় ক্রিকেট লিগের তৃতীয় রাউন্ডে বোলারদের আধিপত্য
জাতীয় ক্রিকেট লিগের তৃতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনে চার ভেন্যুতেই আধিপত্য দেখিয়েছেন বোলাররা। রংপুরের হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন পেসার মেহেদী ও লেগ স্পিনার স্বাধীন।

ব্যাটারদের আধিপত্যের পর জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) ২০২৬-২৭ আসরের তৃতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনে ম্যাচে নিজেদের দাপট দেখিয়েছেন বোলাররা। রবিবার চার ভেন্যুতেই শুরু হওয়া এই রাউন্ডে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল ময়মনসিংহের মাহফিজুল ইসলাম রবিন, যিনি তুলে নিয়েছেন আরও একটি সেঞ্চুরি।
চট্টগ্রামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা সিলেট বিভাগকে ১৭৯ রানে গুটিয়ে দেয় রংপুর বিভাগ। দলের পক্ষে পেসার মেহেদী হাসান ও লেগ স্পিনার স্বাধীন ইসলাম তিনটি করে উইকেট শিকার করেন, আর বাঁহাতি স্পিনার আবু হাসিম নেন দুটি উইকেট।
সিলেটের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন অধিনায়ক জাকির হাসান, যিনি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। এছাড়া জাকের আলী অনিক ১৭ ও খালেদ আহমেদ ২৬ রান করেন। জবাবে দিনশেষে ১ উইকেট হারিয়ে ৩২ রান সংগ্রহ করে রংপুর, তারা পিছিয়ে রয়েছে ১৪৭ রানে।
সিলেটে লিগ টেবিলের শীর্ষ দল চট্টগ্রাম বিভাগের বিপক্ষে খুলনা বিভাগ প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ২০১ রানে। দলের পক্ষে ইমরানুজ্জামান ১৪৩ বলে অপরাজিত ৬৪ রান এবং আজিজুল হাকিম তামিম ৪২ রান যোগ করেন।
চট্টগ্রামের পেসার আহমেদ শরিফ ৪০ রান খরচায় নেন তিন উইকেট। এছাড়া দুই উইকেট করে নেন স্পিনার মো. রুবেল ও হাসান মুরাদ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রামও দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে।
রাজশাহীতে মাত্র ১৫ রান খরচায় চার উইকেট শিকার করেন বাঁহাতি স্পিনার সানজামুল ইসলাম। তার ঘুর্ণিতে পড়ে বরিশাল বিভাগ প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ২২৯ রানে। বাঁহাতি পেসার শফিকুল ইসলাম নেন তিন উইকেট এবং অফ স্পিনার এস এম মেহেরব হাসান পান দুই উইকেট।
এদিকে কক্সবাজারে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে ময়মনসিংহের রানবন্যা অব্যাহত রাখেন রবিন। ২৩৭ বল খেলে ১১৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি, যা চলতি মৌসুমের তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। দিনশেষে ময়মনসিংহের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২২৬ রান।
ময়মনসিংহ একসময় ১৪৬ রানে ৪ উইকেট হারালেও রবিন ও রিজান হোসেন (অপরাজিত ৪৩) পঞ্চম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন থেকে যোগ করেন ৮০০ রান (৮০ রান)। ঢাকার পক্ষে লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব নেন দুটি উইকেট।