ব্যাটারদের জয়ের পথ তৈরি করা উচিত ছিল: তাসকিন
সংযুক্ত আরব আমিরাত ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের হারের পর ম্যাচ সচেতনতা ও জুটির ঘাটতির আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন পেসার তাসকিন আহমেদ।

আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর হতাশা লুকিয়ে রাখেননি পেসার তাসকিন আহমেদ। ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৩.৪ ওভারে মাত্র ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। এই হারে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের রানরেট নেমে গেছে -১.৯৮০-এ, যা দলটির টুর্নামেন্টে বড় ধাক্কা।
এর আগে বোলিংয়ের শুরুটা দুর্দান্ত করেছিলেন তাসকিন। প্রথম ৭ ওভারে মাত্র ২৪ রানে জিম্বাবুয়ের ৩টি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই ধাক্কা সামলে চতুর্থ উইকেটে ১৫০ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়ে ঘুরে দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ে। ব্রেন্ডন টেলর ১০১ বলে ৮১ এবং ক্রেইগ আরভিন ১০৬ বলে ৯৩ রান করে দলকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেন।
বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে তাসকিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন দলের জয় ছাড়া ব্যক্তিগত অর্জনের কোনো মূল্য নেই। তিনি বলেন, আমি তিন বা পাঁচ উইকেট যাই পাই না কেন, ম্যাচ জিততে না পারলে তার কোনো মানে হয় না।
২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ওপেনার তানজিদ তামিমের ৩৮ বলে ঝড়ো ৪৬ রানের সুবাদে ভালো শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দশম ওভারে তানজিদ আউট হওয়ার পর আর কোনো উল্লেখযোগ্য জুটি গড়তে পারেনি দল, যা ব্যাটিং ধস ডেকে আনে।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন স্বীকার করেন যে ভালো উইকেটে এই রান তাড়া করা সম্ভব ছিল। তিনি বলেন, ২৭০ নিশ্চিতভাবেই তাড়া করার মতো ছিল। আমাদের জেতার কথা ছিল, কিন্তু আমরা একটাও জুটি গড়তে পারিনি।
মধ্যের ওভারগুলোতে ডট বলের চাপ এবং বাজে শট সিলেকশনের কারণে দ্রুত উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তাসকিন। তিনি বলেন, আমাদের ম্যাচ সচেতনতার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। সবারই তো স্কিল আছে, সবাই জানে ব্যাটাররা ভালো করতে পারে। কিন্তু চাপে পড়লেই আমরা দ্রুত ধসে পড়ি।
আগামী ২১ অক্টোবর একই ভেন্যুতে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। তার আগে আফগানরা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলবে।