জানুয়ারিতেই পিএসএল! বিদেশি ক্রিকেটার পাওয়া নিয়ে বড় সংঘাতের শঙ্কা
ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি ও আইপিএল এড়িয়ে জানুয়ারি মাসে পিএসএল আয়োজনের চিন্তাভাবনা করছে পিসিবি। এতে বিবিএল ও এসএ২০-এর সঙ্গে বিদেশি ক্রিকেটারদের পাওয়া নিয়ে দেখা দিতে পারে তীব্র প্রতিযোগিতা।

জানুয়ারি মাসে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) আয়োজনের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এই টুর্নামেন্টের নতুন সময়সূচি নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে দেশটির ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
জানুয়ারি মাসে টুর্নামেন্টটি আয়োজিত হলে বিশ্বজুড়ে অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক পরিস্থিতিতে পড়বে পিএসএল। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগ (বিবিএল) ও দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০-এর সঙ্গে বিদেশি ক্রিকেটার পাওয়ার দৌড়ে বড় ধরনের প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে তাদের।
আইসিসির ভবিষ্যৎ সফর সূচি (এফটিপি) ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক ম্যাচের ব্যস্ততার কারণেই মূলত এই সম্ভাব্য পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে। ঐতিহ্যগতভাবে ফেব্রুয়ারি-মার্চে পিএসএল অনুষ্ঠিত হলেও সেই সময় পাকিস্তান জাতীয় দলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ও বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের চাপ রয়েছে।
বৈঠকে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের পক্ষ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। মার্চে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সূচির সঙ্গে সংঘাত এড়ানো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হলেও, জানুয়ারি মাসে শীর্ষমানের বিদেশি ক্রিকেটারদের পুরো মৌসুমের জন্য পাওয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে বিশ্বজুড়ে টি-টোয়েন্টি চুক্তিভিত্তিক খেলোয়াড়দের বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একই সময়ে একাধিক আকর্ষণীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের কোটি কোটি টাকার প্রস্তাব সামলাতে হবে তারকা ক্রিকেটার ও তাঁদের স্বাগতিক বোর্ডগুলোকে।
পিসিবির জন্য ব্রডকাস্ট স্বত্ব ও বাণিজ্যিক স্পন্সরশিপের সঠিক মূল্য পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য জনপ্রিয় লিগের সঙ্গে সরাসরি লড়াইয়ে নামলে টেলিভিশন সম্প্রচার আয় ও স্পন্সর পাওয়ার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ঝুঁকি থেকে যায়।
সামনের সপ্তাহগুলোতে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের সঙ্গে পিসিবির পরবর্তী ধাপের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের বাধ্যবাধকতা ও খেলোয়াড়দের ছাড়পত্রের ওপরই নির্ভর করছে এই পরিবর্তনের মূল ভবিষ্যৎ।