'ডট বল কমানোর পাশাপাশি স্ট্রাইক রেট বাড়াতে হবে', আফগান ব্যাটারদের তোপ পাইবাসের
আফগানিস্তানের সীমিত ওভারের ব্যাটিংয়ে উচ্চ ডট বলের হার ও কম স্ট্রাইক রেট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান কোচ রিচার্ড পাইবাস। পাইপলাইনে আধুনিক পাওয়ার-হিটারের অভাবকেও দায়ী করেন তিনি।

আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের সীমিত ওভারের ব্যাটিংয়ের মেজাজ ও ধরন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান কোচ রিচার্ড পাইবাস। দলের উচ্চ ডট বলের শতাংশ এবং তুলনামূলক কম স্ট্রাইক রেটকে দ্রুত সমাধানের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি।
আধুনিক সাদা বলের ক্রিকেটে সাফল্য পাওয়ার চাবিকাঠি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পাইবাস জানান, বিশ্বসেরা দলগুলো নিয়মিত স্ট্রাইক রোটেট করার পাশাপাশি প্রতিটি ওভারে বাউন্ডারি খোঁজার কৌশল নিয়ে মাঠে নামে। সেখানে আফগান ব্যাটাররা প্রায়শই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রানের গতি হারিয়ে ফেলেন।
অভিজ্ঞ এই কোচের মতে, ইনিংসের মাঝের ওভারগুলোতে অতিরিক্ত ডট বল খেলার কারণে ওপরের সারির ওপর বাড়তি মানসিক চাপ তৈরি হয়। ফলে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বড় সংগ্রহ দাঁড় করানো কিংবা বড় লক্ষ্য তাড়া করা দলের জন্য বেশ কঠিন হয়ে পড়ছে।
পাওয়ার-হিটিং সক্ষমতার অভাব প্রসঙ্গে তিনি সরাসরি আফগানিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামোর সীমাবদ্ধতাকে দায়ী করেন। তাঁর দৃষ্টিতে, এই সংকট তৈরি হয়েছে মূলত পাইপলাইনের গভীরতা না থাকার কারণে।
পাইবাস উল্লেখ করেন, আফগানিস্তান বিশ্বমানের স্পিনার ও শৃঙ্খলিত পেসার তৈরি করলেও প্রাকৃতিকভাবে বড় শট খেলতে পারা আক্রমণাত্মক মধ্যম সারির ব্যাটার তুলে আনার ক্ষেত্রে তাদের ঘরোয়া ক্রিকেট এখনো পিছিয়ে রয়েছে।
সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান করতে হলে কেবল জাতীয় দলের ক্যাম্পের ওপর নির্ভর না করে তৃণমূল পর্যায় থেকে ব্যাটারদের গড়ার তাগিদ দেন তিনি। একই সঙ্গে ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোতে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার পরিবেশ তৈরি করার ওপর জোর দেন পাইবাস।
আসন্ন আন্তর্জাতিক সিরিজগুলোকে সামনে রেখে অনুশীলন সেশনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে আফগানদের কোচিং স্টাফ। ব্যাটারদের অপ্রয়োজনীয় ডট বল কমানো ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে খেলার বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।