England

দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্টকে বাড়তি গুরুত্ব ইংল্যান্ডের, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে বিশ্রাম পেতে পারেন আর্চাররা

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষ টেস্ট সিরিজকে প্রাধান্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে জোফ্রা আর্চার, গাস অ্যাটকিনসন ও জশ টাংকে বিশ্রাম দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্টকে বাড়তি গুরুত্ব ইংল্যান্ডের, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে বিশ্রাম পেতে পারেন আর্চাররা
আসন্ন টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে পেসার জোফ্রা আর্চারের বোলিংয়ের কাজের চাপ সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করছে ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্ট। ছবি: অ্যাকশন ইমেজেস ভায়া রয়টার্স

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে ইংল্যান্ড। আর এ কারণেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে জোফ্রা আর্চার, গাস অ্যাটকিনসন ও জশ টাংকে। মূলত পেসারদের কাজের চাপ (ওয়ার্কলোড) সামলাতেই এমন পরিকল্পনা করছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওলেস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।

আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ইংলিশরা। এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণের লড়াই শেষ হওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে বেন স্টোকসের দল।

দীর্ঘদিনের চোট কাটিয়ে ফেরা জোফ্রা আর্চারকে নিয়ে কোনো রকম তাড়াহুড়ো করতে চায় না ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্ট। কনুই ও পিঠের গুরুতর চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকা এই গতি তারকাকে টেস্ট ফরম্যাটে ফেরানোর লক্ষ্যেই এই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।

লাল বলের ক্রিকেটে গাস অ্যাটকিনসন ও জশ টাংও স্টোকস বাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাদের বিশ্রামে রেখে দক্ষিণ আফ্রিকার বাউন্সি উইকেটের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রাখার কৌশল নিয়েছে ইসিবি।

এই সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত দেয় যে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহ্যবাহী লড়াইয়ে হয়তো কিছুটা অনভিজ্ঞ বোলিং আক্রমণ নিয়ে মাঠে নামবে ইংলিশরা। পেসারদের সতেজ রাখতে এবং চোটমুক্ত রাখতে দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজের চেয়ে টেস্ট ক্রিকেটকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে তারা।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে কঠিন কন্ডিশনের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই মূলত এই কর্মপরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। লাল বলের সাফল্যের জন্য সাদা বলের ক্রিকেটকে কিছুটা হলেও দ্বিতীয় সারিতে রাখতে দ্বিধা করছে না ইংল্যান্ড।