‘প্রভাবশালীরাই সব’: আইসিসির সিদ্ধান্তে বড় ভুল দেখছেন মোহাম্মদ ইউসুফ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক ইস্যুতে আইসিসির সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ ইউসুফ। তিনি জনসংখ্যার তথ্য টেনে এনে বলেছেন, বাংলাদেশের মতো বিশাল এক ক্রিকেট বাজারকে উপেক্ষা করা আইসিসির বড় ধরনের ভুল ও পক্ষপাতিত্বের বহিঃপ্রকাশ।

উল্লেখ্য: ক্রিক্রেজের সকল সংবাদ উভয় ভাষায় সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই বাংলা সংস্করণটি অনুবাদ করা হয়েছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় আইসিসির সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ ইউসুফ। তিনি মনে করছেন, আইসিসি ‘সুবিধাবাদী’ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিশাল এক ক্রিকেট বাজারকে অবহেলা করছে।
সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইউসুফ পরিসংখ্যান টেনে আইসিসির সিদ্ধান্তের অসারতা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৬০ লাখ, যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও নামিবিয়াসহ আরও ১০টি দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় কাছাকাছি (১৭ কোটি ৮০ লাখ)। অথচ এত বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও তাদের সঙ্গে এমন আচরণ ক্রিকেট বিশ্বের জন্য রহস্যজনক।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ইউসুফ লেখেন, 'ক্রিকেট বিশ্ব যখন দর্শক ও ভিউয়ারশিপের ওপর টিকে আছে, তখন বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ অজুহাতে তাদের বাদ দেওয়া আইসিসির সুশাসন ও ধারাবাহিকতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দেয়।' তিনি আরও যোগ করেন, নিরাপত্তা ইস্যুকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কোনো দেশকে ভেন্যু পরিবর্তনে বাধ্য করাটা পরিষ্কারভাবে পক্ষপাতিত্বের লক্ষণ। ক্রিকেটে এখন ‘মূলনীতি’র চেয়ে ‘প্রভাব’ই বেশি কাজ করছে।
ইউসুফের এই মন্তব্য কূটনৈতিক সংকটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এদিকে পাকিস্তানের পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানও টুর্নামেন্ট বয়কটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে এক বৈঠকের পর নাকভি নিশ্চিত করেছেন, বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এই শুক্রবার অথবা আগামী সোমবারের মধ্যে নেওয়া হবে। বোর্ডকে সব ধরনের বিকল্প খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।