সাকিবকে ফেরাতে মার্চে পাকিস্তানের সিরিজই পাখির চোখ বিসিবির
বর্তমান আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল আইনি জটিলতা নিরসনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদী বোর্ড।

উল্লেখ্য: ক্রিক্রেজের সকল সংবাদ উভয় ভাষায় সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই বাংলা সংস্করণটি অনুবাদ করা হয়েছে।
জাতীয় দলে সাকিব আল হাসানের প্রত্যাবর্তন নিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজকে কেন্দ্র করে অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডারকে দলে ফেরাতে চায় বিসিবি।
সাবেক বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদের মেয়াদে সাকিবকে ফেরানোর একাধিক চেষ্টা সফল না হলেও, আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বোর্ড অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে। বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর নিশ্চিত করেছেন, সাকিবের ফেরার পথে থাকা বাধা দূর করতে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রথম আলোকে আসিফ বলেন, ‘আমাদের বোর্ড সভাপতি এ বিষয়ে সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। আমরা আশাবাদী যে, মার্চের পাকিস্তান সিরিজে সাকিবকে জাতীয় দলে দেখতে পাব।’
৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশের বাইরে অবস্থান করছেন সাবেক এই এমপি। হত্যা মামলাসহ একাধিক আইনি জটিলতার কারণে গত বছর মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজের বিদায়ী টেস্ট ম্যাচটিও খেলা হয়নি সাকিবের।
তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এখন ভিন্ন। সাকিবের ফেরার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকা সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বর্তমানে সরকারে নেই। বিসিবি মনে করছে, এখন পরিস্থিতি কিছুটা সহজ হয়েছে। বর্তমান আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল আইনি জটিলতা নিরসনে আগের চেয়ে বেশি নমনীয় ভূমিকা রাখবেন বলে বোর্ড কর্তারা আশাবাদী।
আসিফ আকবর আরও বলেন, ‘আমরা চাই সাকিব দেশের হয়ে আবার খেলুক, শুরুটা এই পাকিস্তান সিরিজ থেকেই হোক। আগে তার ফেরার সুযোগটা তৈরি হোক, এরপর খেলা চালিয়ে যাওয়া না যাওয়াটা একান্তই তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।’
বর্তমানে নিউ ইয়র্কে থাকা সাকিবও দেশের হয়ে ফেরার বিষয়ে প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেননি, তবে ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তান সিরিজটিকেই তিনি ফেরার মঞ্চ হিসেবে দেখছেন। মার্চে এই সিরিজ শেষ হওয়ার পর মে মাসে পিএসএল শেষে পাকিস্তান পুনরায় দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে।
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে কিছু সংশয় থাকলেও, বিসিবি কর্মকর্তারা আত্মবিশ্বাসী যে নির্বাচনের পরবর্তী পরিস্থিতি সাকিবকে ফেরানোর প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে পারে।