মিরপুরে শান্তর সেঞ্চুরি, তবে দিনের শেষভাগে পাকিস্তানের স্বস্তি
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে স্বস্তিতে ছিল বাংলাদেশ। তবে চা বিরতির ঠিক আগে মোহাম্মদ আব্বাসের বলে শান্তর বিদায়ে ম্যাচে কিছুটা ফিরেছে পাকিস্তান। শান্তর ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরিটি এসেছে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবার।

উল্লেখ্য: ক্রিক্রেজের সকল সংবাদ উভয় ভাষায় সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই বাংলা সংস্করণটি অনুবাদ করা হয়েছে।
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে ভর করে শক্ত অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু চা বিরতির ঠিক আগে মোহাম্মদ আব্বাসের আঘাত পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরার রসদ জুগিয়েছে। শান্তর ক্যারিয়ারের নবম এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরিটি ছিল মূলত মুমিনুল হকের সঙ্গে তার ১৭০ রানের বিশাল জুটির ভিত্তি। মিরপুরের গরম আর ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে দুই ব্যাটারই বেশ দাপটের সঙ্গেই খেলেছেন বিকেলে।
অবশেষে ৫৩তম ওভারে ডেডলক ভাঙেন আব্বাস। তার ভেতরের দিকে ঢোকা একটি বল শান্তর সামনের প্যাডে লাগলে এলবিডব্লিউর আবেদন করেন পাকিস্তানি ফিল্ডাররা। অন-ফিল্ড আম্পায়ার শুরুতে সাড়া না দিলেও রিভিউ নিয়ে সফল হন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায়, সেটি আঘাত হানছিল অফ স্টাম্পে।
শান্ত সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন আব্বাসের হাফ-ভলি বল কাভার দিয়ে বাউন্ডারি মেরে। তার ১৩০ বলের ১০১ রানের ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও দুটি ছক্কা। ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে রূপ দেওয়ার সামর্থ্য আবারও প্রমাণ করলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
দিনটি মূলত স্বাগতিকদের দখলেই ছিল, কিন্তু শেষ বিকেলের এই উইকেট কিছুটা হলেও মোমেন্টাম পাকিস্তানের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এখন মুমিনুলের ব্যাটের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ, যিনি ইতিমধ্যে তার ২৬তম টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশ চাইবে নতুন জুটি গড়ে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যেতে, অন্যদিকে পাকিস্তানের লক্ষ্য থাকবে দ্রুত আরও কিছু উইকেট তুলে নেওয়ার।
এই উইকেটের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে শান্তর দীর্ঘতম ইনিংসটির সমাপ্তি ঘটল, যার বিপক্ষে আগের ম্যাচগুলোতে তিনি নিয়মিত রান পাচ্ছিলেন না। বড় সংগ্রহের স্বপ্নে এখন মুমিনুলের দায়িত্ব বেড়েছে বহুগুণ।