Bangladesh Cricket

বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে স্পিন শক্তি বাড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

মিরপুরে ওয়ানডে সিরিজে স্পিন ভেলকির মুখে পড়ার পর বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য নিজেদের স্পিন আক্রমণ আরও জোরদার করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে স্পিন শক্তি বাড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
West Indies to reinforce their spin department

উল্লেখ্য: ক্রিক্রেজের সকল সংবাদ উভয় ভাষায় সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই বাংলা সংস্করণটি অনুবাদ করা হয়েছে।

মিরপুরের স্পিনবান্ধব উইকেটে ওয়ানডে সিরিজ শেষ হওয়ার পর এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজের পালা। আগামী ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য নিজেদের স্পিন আক্রমণকে আরও ধারালো করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ওয়ানডে সিরিজে খেলা বাঁহাতি স্পিনার আকিল হোসেন ও গুডাকেশ মোতির সঙ্গে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে যুক্ত করা হয়েছে আরেক বাঁহাতি স্পিনার ক্যারি পিয়েরেকে। দলে তিন বাঁহাতি স্পিনারের অন্তর্ভুক্তি পরিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ঘূর্ণি পিচের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সফরকারীরা স্পিনকেই তাদের প্রধান অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার মিরপুরে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে ১৭৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে সিরিজ হাতছাড়া হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ ড্যারেন স্যামি এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি স্বীকার করেন যে, মিরপুরের ধীরগতির উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এখনো শিখছে তার দল। স্যামি বলেন, 'উইকেট দুই দলের জন্যই একই ছিল। পার্থক্য গড়ে দিয়েছে কারা পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিয়েছে, বাংলাদেশ সেটি দারুণভাবে করেছে। আমরা এই সিরিজ থেকে শিক্ষা নিয়ে চট্টগ্রামে ভালো উইকেটে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।'

এদিকে চোটের কারণে টি-টোয়েন্টি দল থেকে ছিটকে গেছেন পেসার শামার জোসেফ ও জেডায়া ব্লেডস। ফলে ১৪ সদস্যের দল নিয়েই টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করতে হচ্ছে সফরকারীদের। ওয়ানডে সিরিজে দুই দল মিলে মোট ৪৪টি উইকেট হারিয়েছিল স্পিনারদের কাছে, যা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে বাংলাদেশের স্পিনাররা নিয়েছেন ২৬টি উইকেট, যার মধ্যে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের একারই শিকার ১২টি উইকেট।

ওয়ানডে সিরিজ হারের দায় নিজের কাঁধে নিয়ে স্যামি বলেন, 'আমি সবসময়ই হোম কন্ডিশনের সুবিধা নেওয়ার পক্ষপাতী। বাংলাদেশ সেটা দারুণভাবে করতে জানে। তবে আমাদের লক্ষ্য হলো যেকোনো পিচে যেকোনো পরিস্থিতিতে লড়াই করার মতো সক্ষমতা অর্জন করা।' বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও একই সুর মিলিয়ে বলেন, 'হোম কন্ডিশন ক্রিকেটের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তবে একটি ভালো দল হিসেবে সব কন্ডিশনেই পারফর্ম করাটা জরুরি।'

দুই দলই আজ চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে। সিরিজের তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ যথাক্রমে ২৭, ২৯ ও ৩১ অক্টোবর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ানডে সিরিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে বাংলাদেশ মাঠে নামবে, অন্যদিকে সফরকারীদের লক্ষ্য থাকবে নতুন করে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়ানো।