Features & Analysis

চেন্নাইয়ে নতুন অধ্যায় শুরুর আগে সোনালী অতীত রোমন্থন জহির খানের

চেন্নাই সুপার কিংসে নতুন কোচিং অধ্যায় শুরু করার প্রাক্কালে শচীন, ধোনি ও যুবরাজের সাথে কাটানো ক্যারিয়ারের সোনালী দিনগুলো স্মরণ করলেন ভারতের সাবেক পেসার জহির খান।

চেন্নাইয়ে নতুন অধ্যায় শুরুর আগে সোনালী অতীত রোমন্থন জহির খানের
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার দিনগুলিতে এম এস ধোনি ও যুবরাজ সিংয়ের সাথে হাস্যোজ্জ্বল মুহূর্তে জহির খান। ছবি: এএফপি

আইপিএলের সফলতম ফ্র্যাঞ্চাইজি চেন্নাই সুপার কিংসে নতুন কোচিং দায়িত্ব গ্রহণ করা যেকোনো প্রবীন ক্রিকেটারের জন্যই এক বড় চ্যালেঞ্জ। দলটির গত কয়েক মৌসুমের পারফরম্যান্সের গ্রাফ ওঠানামার মধ্যে থাকায়, তাদের সেই পুরোনো বিজয়ী ধারায় ফিরিয়ে আনতে কোচিং প্যানেলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে কতৃপক্ষ। আর এই কঠিন দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়ার আগে নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সোনালী মুহূর্তগুলো স্মরণ করছেন ভারতের সাবেক পেসার জহির খান।

চেন্নাইয়ের মতো হাই-প্রোফাইল দলে কাজ করার চাপকে ঘাড়ে না নিয়ে, বরং অতীত ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা থেকেই অনুপ্রেরণা খুঁজছেন এই সাবেক বাঁহাতি পেসার। শচীন টেন্ডুলকার, এম এস ধোনি এবং যুবরাজ সিংয়ের মতো কিংবদন্তিদের সাথে ড্রেসিং রুম ভাগাভাগি করার স্মৃতিচারণ করে জহির জানান, কীভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেদের মেলে ধরতে হতো।

খেলোয়াড়ি জীবনে নিজের সুইং বোলিং এবং চাপের মুখে বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং দিয়ে বহু ম্যাচ বের করে এনেছেন এই অভিজ্ঞ পেসার। চেন্নাইয়ের বর্তমান তরুণ ও অভিজ্ঞ বোলারদের মাঝে ঠিক সেই মানসিক দৃঢ়তা এবং ট্যাকটিক্যাল শৃঙ্খলা গড়ে তোলাই এখন তার মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে ডেথ ওভারে রান আটকানো এবং পাওয়ার প্লেতে উইকেট শিকারের কলাকৌশল নিয়ে তিনি কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

ফ্র্যাঞ্চাইজির টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করছে, মাঠের লড়াইয়ে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখতে জহিরের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের উপস্থিতি দলের ডাগআউটে বড় পরিবর্তন আনবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা দলের তরুণ পেসারদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে সাহায্য করবে বলে বিশ্বাস সংশ্লিষ্টদের।

অতীতের ড্রেসিং রুমের সংস্কৃতি ও সতীর্থদের সাথে পারস্পরিক বিশ্বাসের প্রসঙ্গ টেনে জহির উল্লেখ করেন যে, যেকোনো বড় দল গড়ে ওঠে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপর ভিত্তি করে। এই মেলবন্ধনকেই তিনি চেন্নাইয়ের বর্তমান স্কোয়াডের ভেতরে ছড়িয়ে দিতে চান, যাতে মাঠের লড়াইয়ে দলের প্রতিটি সদস্য একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠতে পারে।

সামনের মৌসুমগুলোতে চেন্নাইকে আরও শক্তিশালী ও ধারালো রূপে দেখতে মুখিয়ে আছেন ভক্ত-সমর্থকরা। জহিরের এই নতুন যাত্রায় দল কতটা উপকৃত হয় এবং পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা তাদের হারানো গৌরব ফিরে পেতে কত দ্রুত সফল হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।