জাতীয় লিগে জয়ের সেঞ্চুরি, রাজশাহীর বিপক্ষে চালকের আসনে চট্টগ্রাম
জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগকে রাজশাহীর বিপক্ষে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়।

চট্টগ্রাম বিভাগের হয়ে জাতীয় ক্রিকেট লিগের চলতি আসরের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। রোববার বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে রাজশাহীর বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে দারুণ ছন্দে দেখা গেছে তাকে।
সাম্প্রতিক সময়ে অফ ফর্মের কারণে বাংলাদেশ টেস্ট দল থেকে বাদ পড়া জয় নিজের প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরিটি হাঁকান। ১৭০ বলে ১০২ রান করে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার।
তার সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন সাদিকুর রহমান। তিনি ৮৬ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন এবং কোনো উইকেট না হারিয়ে চট্টগ্রাম দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৯০ রান।
এর আগে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ৩৬৪ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ৯৬ রান খরচায় ৪টি উইকেট শিকার করেন স্পিনার হাসান মুরাদ।
অন্যদিকে, খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে খূলনার বিপক্ষে মারাত্মক ব্যাটিং ধসের মুখে পড়ে বরিশাল বিভাগ। ইফতেখার হোসেনের সর্বোচ্চ ৪৪ রানের ইনিংসের পরও পুরো দল মাত্র ৯৪ রানে গুটিয়ে যায়।
খুলনার পেসার মেহেদী হাসান রানা ২৫ রানে ৩টি এবং স্পিনার শেখ পারভেজ জীবন মাত্র ৩.৪ ওভারে ১০ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে দিন শেষে ২ উইকেটে ৪৩ রান সংগ্রহ করে বরিশাল, এখনও তারা ২৮৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে।
মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে দুর্দান্ত অলরাউণ্ড পারফরম্যান্স উপহার দেন মোহাম্মদ চৌধুরী রিজওয়ান। আগের দিনের ৩৮ রান থেকে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন তিনি, যার সুবাদে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৪০ রান। এরপর বল হাতেও ২৫ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নিয়ে ঢাকাকে ১২০ রানে ৬ উইকেটে কাঁপিয়ে দেন তিনি।
এদিকে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ময়মনসিংহের প্রথম ইনিংসের ৩১১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৩৬ রান সংগ্রহ করেছে সিলেট। জাকির হাসান ৬০ ও সৈকত আলী ৪১ রান করে আউট হলেও, আসাদুল্লাহ আল গালিবের অপরাজিত ফিফটি ইনিংসে দৃঢ়তা এনে দেয়।