Australia

টেস্টের প্রস্তুতিতে জোর: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে মিস করতে পারেন কামিন্স

দক্ষিণ আফ্রিকায় দেরিতে পৌঁছানো অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা টিম ম্যানেজমেন্টের। আসন্ন টেস্ট সিরিজকে অগ্রাধিকার দিয়ে পেসারদের ওয়ার্কলোড ম্যানেজ করা হচ্ছে।

টেস্টের প্রস্তুতিতে জোর: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে মিস করতে পারেন কামিন্স
সীমিত ওভারের সিরিজের আগে অনুশীলনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। ছবি: গেটি ইমেজস

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার সীমিত ওভারের পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। স্কোয়াডের বাকিদের তুলনায় কিছুটা দেরিতে দেশটিতে পৌঁছান অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। এর পরই মূলত প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে তাঁর খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা দানা বাঁধতে শুরু করে।

দলের প্রধান পেস আক্রমণকে সতেজ রাখতে কঠোর ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট বা কাজের চাপ ব্যবস্থাপনার নীতি গ্রহণ করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। কামিন্সের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেসার মিচেল স্টার্ক এবং জশ হ্যাজলউডকেও তিন ম্যাচের এই ওয়ানডে সিরিজে বিশ্রামে রাখা হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ান টিম ম্যানেজমেন্টের মূল লক্ষ্য মূলত দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটের জন্য নিজেদের প্রস্তুত রাখা। সামনেই কঠিন ও দীর্ঘ টেস্ট সিরিজ থাকায় রঙিন পোশাকের এই ম্যাচগুলোতে প্রধান বোলারদের অতিরিক্ত ধকল থেকে রক্ষা করতে চান নির্বাচকরা।

আধুনিক ক্রিকেটের ঠাসা সূচির কারণে শীর্ষ দলগুলোকে এমন কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে হচ্ছে। ওয়ানডে সিরিজের গুরুত্ব থাকলেও ঐতিহ্যবাহী টেস্ট লড়াইয়ের জন্য ফাস্ট বোলারদের ফিটনেস শতভাগ নিশ্চিত করাই এখন বোর্ডের প্রধান অগ্রাধিকার।

কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড ও নির্বাচক প্যানেল প্রতিটি ম্যাচের পর খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থা ও ক্লান্তি বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সিনিয়র পেসারদের বিশ্রাম দেওয়া হলে বেঞ্চের পেসাররা নিজেদের প্রমাণ করার বড় সুযোগ পাবেন।

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে তারকা পেসাররা না থাকলে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা কিছুটা স্বস্তি পেলেও পেতে পারে। তবে অস্ট্রেলিয়ার দলে পর্যাপ্ত বিকল্প থাকায় যেকোনো কম্বিনেশনেই দলটি বেশ শক্তিশালী হিসেবে মাঠে নামবে।

দলের কৌশলগত পরিকল্পনা চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে এবং প্রথম ম্যাচের একাদশ নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসার অপেক্ষায় রয়েছেন সমর্থকরা। সীমিত ওভারের সাফল্য নাকি টেস্ট মহারণের প্রস্তুতি—কোনটিতে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে, সেটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।