Australia

ইনজুরির কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে খেলছেন না ক্যামেরন গ্রিন

পেটের পেশির ইনজুরির কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন। পাঁচ নম্বর পজিশনের জন্য লড়াই চলছে নিক ম্যাডিসন ও কুপার কনোলির মধ্যে।

ইনজুরির কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে খেলছেন না ক্যামেরন গ্রিন
ডার্বানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনজুরিাক্রান্ত ক্যামেরন গ্রিনের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন নিক ম্যাডিসন। ছবি: জশ চ্যাডউইক/গেটি ইমেজেস

গত ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে পেটের পেশিতে টান লাগার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটকে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন।

তিন ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজের পরের ম্যাচগুলোতে এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার ফিরবেন বলে আত্মবিশ্বাসী টিম ম্যানেজমেন্ট, তবে কাঁধের ইনজুরির কারণে তিনি এই মুহূর্তে বোলিং করবেন বলে আশা করা হচ্ছে না।

এই অনুপস্থিতির ফলে ডার্বানের কিংসমেডে পাঁচ নম্বর ব্যাটিং পজিশন নিয়ে সফরকারীদের সামনে এক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি সমীকরণ তৈরি হয়েছে, যেখানে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নিক ম্যাডিসন ও কুপার কনোলি প্রধান দাবিদার হিসেবে বিবেচনাধীন রয়েছেন।

নিক ম্যাডিসনের দলে ফেরা নিয়ে ক্রিকেট মহলের সমালোচনার জবাবে অ্যান্ড্রু ম্যাকডনাল্ড জানান, ঘরোয়া ওয়ানডে কাপে শতক হাঁকানো এবং জশ ইংলিসের আঙুল ভেঙে যাওয়ার পর ম্যাডিসনের এই ডাক অপ্রত্যাশিত নয়। বিশেষ করে ২০১৮ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে শেফিল্ড শিল্ডে ৫২.৩৭ গড়ে রান করার পরিসংখ্যানের কথা তুলে ধরেন তিনি।

গত বছর অণ্ডকোষের ক্যানসার জয় করে ক্রিকেটে ফেরা ম্যাডিসনের এই প্রত্যাবর্তন একটি অনুপ্রেরণাদায়ক ঘটনা। অন্যদিকে, ইংলিসের ইনজুরির পর বিকল্প উইকেটরক্ষক হিসেবে দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন স্যাম হার্পার।

ম্যাকডনাল্ড নিশ্চিত করেছেন যে ট্রাভিস হেড পাঁচ নম্বরে নেমে না এসে ইনিংসের উদ্বোধনীতেই ব্যাট করবেন এবং উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স ক্যারি যথারীতি ছয় নম্বর পজিশনেই থাকবেন।

শুক্রবার শুরু হতে যাওয়া ম্যাচের আগে কিংসমেডের শুষ্ক উইকেটের চরিত্রও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন নির্বাচকরা, যদিও পেস আক্রমণের বাইরে দ্বিতীয় কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার খেলানোর বিষয়ে এখনো দ্বিধায় রয়েছে অস্ট্রেলিয়া দল।

স্কোয়াডে ম্যাট কুনেমানের মতো স্পিন বিকল্প থাকা সত্ত্বেও কোচ জানিয়েছেন যে প্রচলিত বোলিং ভারসাম্য বদলাতে হলে উইকেটের পরিস্থিতি অত্যন্ত অনুকুল হতে হবে।