দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে বিপিএলের আরও দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এক সাবেক ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও এক কর্মকর্তা। নোটিশ পাওয়ার পর আত্মপক্ষ সমর্থনে তাদের ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

শৃঙ্খলাভঙ্গের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) প্রশাসনিক অস্বস্তি আরও বাড়ল। গভর্নিং কাউন্সিলের দুর্নীতিবিরোধী কড়াকড়ির অংশ হিসেবে এবার টুর্নামেন্টের সঙ্গে যুক্ত সাবেক এক ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
অ্যান্টি করাপশন কোড বা দুর্নীতিবিরোধী আচরণবিধি ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত সোমবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে এই বরখাস্তের আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে বা আনীত অভিযোগের লিখিত জবাব দিতে মাত্র ১৪ দিনের সময় পাবেন। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যেই তাদের শৃঙ্খলা কমিটির সামনে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে।
দেশের শীর্ষ এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টকে সব ধরনের বিতর্ক ও অবৈধ প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
টুর্নামেন্ট আয়োজকরা বারবারই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ক্রিকেটের পবিত্রতা ও দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের সুনাম নষ্ট করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
নির্ধারিত ১৪ দিনের সময়সীমা শেষের দিকে এগোচ্ছে। বিসিবি সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের কাছ থেকে পাওয়া উত্তরের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
এদিকে ঘরোয়া ক্রিকেটের ভেতরের মহলে এই বরখাস্তের খবর বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পরবর্তী ম্যাচগুলোর আগে মাঠের বাইরে টুর্নামেন্টের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বোর্ড কর্মকর্তারা এখন বাড়তি সতর্কতার পথ বেছে নিয়েছেন।
সামগ্রিক এই পরিস্থিতিতে বিপিএলের সুশাসন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠলেও, আয়োজক কমিটি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।