তানজিদের ৮৩ ও তিন ফিফটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েও শেষ বিকালে ধাক্কা খেল টাইগাররা
আবুধাবিতে টেস্টের প্রথম দিনে তানজিদের আক্রমণাত্মক ৮৩ রানে ভর করে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান তুলেছে বাংলাদেশ, তবে আফগান পেসারদের দারুণ কামব্যাকে শেষদিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় টাইগাররা।

তানজিদ হাসান, সাদমান ইসলাম ও লিটন দাসের ফিফটির সুবাদে আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টের প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।
ওপেনিং জুটিতে সাদমানের সঙ্গে ১২৪ রান যোগ করে দলের আক্রমণভাগ নেতৃত্ব দেন তানজিদ। মাত্র ৭১ বলে ৮৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ৮টি চার ও ৪টি ছক্কা হাঁকান এই তরুণ ওপেনার। পেসারদের বিপক্ষে অফ সাইডে দুর্দান্ত শট খেলার পাশাপাশি স্পিনারদের মাথার ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকান তিনি।
শেষ পর্যন্ত ইসমত আলমের বলে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তানজিদ। এর ফলে ২০১৯ সালে হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তামিম ইকবালের গড়া টেস্টের প্রথম সেশনে সর্বোচ্চ ৮৬ রান করার রেকর্ড ভাঙা হয়নি তার।
সাদমান তার ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট ফিফটি তুলে নিয়ে ১১১ বলে ৬৭ রান করে মোহাম্মদ সেলিমের শর্ট বলে স্কয়ার লেগে ধরা পড়েন। এর আগে সাদমান ও মুমিনুল হকের জুটি ৬০ রান যোগ করে। তবে ইয়ামিন আহমদজাইয়ের বলে মুমিনুল ৩৯ রানে আউট হন এবং মুশফিকুর রহিমকে ইয়র্কারে বোল্ড করেন ইয়ামিন।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত কাইস আহমেদের বলে এজ হয়ে ২৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন। দলীয় ২২১ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর দ্বিতীয় সেশনে মাত্র ৪ রান তুলতে গিয়ে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ইসমত একে একে ফিরিয়ে দেন সেট ব্যাটসম্যান তানজিদ ও মেহেদী হাসান মিরাজকে।
এরপর ষষ্ঠ উইকেটে ৬২ রানের জুটি গড়ে দলের ইনিংস মেরামত করেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজ ৬৭ বলে ২৪ রান করেন এবং ৪টি চারের সাহায্যে ৮৯ বলে ৫৩ রান করেন লিটন।
অস্ট্রেলিয়ায় আগের তিন টেস্ট ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর এই অর্ধশতকের মাধ্যমে ফর্মে ফিরেছেন লিটন। নতুন বল নেওয়ার ঠিক আগে ফাইন লেগ সীমানার কাছে ইয়ামিন আহমদজাইয়ের দুর্দান্ত ডাইভিং ক্যাচে বিদায় নেন লিটন। একই ওভারে হাসান মাহমুদকেও বোল্ড করেন সেলিম।
আফগানিস্তানের পেসার সেলিম, ইয়ামিন ও ইসমত মিলে ৭টি উইকেট শিকার করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের অনুকূলে ফিরিয়ে আনেন এবং দিনশেষে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেন।