Australia

অস্ট্রেলিয়াকে আবার ধাক্কা দেওয়ার ছক জিম্বাবুয়ের, অজিদের নজর ২০২৭ বিশ্বকাপে

ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে আবারও অঘটন উপহার দিতে মরিয়া জিম্বাবুয়ে। অন্যদিকে ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপকে সামনে রেখে কন্ডিশন পরখ করে নিতে চায় অজিরা।

অস্ট্রেলিয়াকে আবার ধাক্কা দেওয়ার ছক জিম্বাবুয়ের, অজিদের নজর ২০২৭ বিশ্বকাপে
অস্ট্রেলিয়াকে আতিথ্য দেওয়ার আগে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে উল্লাসে মাতেন জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে ফের চমকে দেওয়ার ছক কষছে জিম্বাবুয়ে। ঘরের মাঠের পরিচিত কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে পাঁচবারের বিশ্বজয়ী অজিদের বিপক্ষে আরও একটি স্মরণীয় জয়ের খোঁজে রয়েছে স্বাগতিকেরা।

জিম্বাবুয়ের জন্য এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজটি কেবল একটি সাধারণ লড়াই নয়, বরং বিশ্ব ক্রিকেটের পরাশক্তিদের বিপক্ষে নিজেদের পুনর্গঠনের পথ সুগম করার বড় মঞ্চ। অতীতে বিশ্বমঞ্চ ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর সুখস্মৃতি জিম্বাবুয়ানদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিচ্ছে বহুগুণ।

হারারে ও বুলাওয়েতে স্থানীয় সমর্থকদের সামনে খেলার বাড়তি সুবিধা নিতে মরিয়া স্বাগতিক দল। সফরকারী অজি স্কোয়াডে থাকা যে কোনো দুর্বলতার পূর্ণ ফায়দা তুলতে প্রস্তুত সিকান্দার রাজাদের দল।

অন্যদিকে, বর্তমান ওয়ানডে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার জন্য এই সফরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পাশাপাশি জিম্বাবুয়েও ওডিআই বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক। ফলে সেই মেগা টুর্নামেন্টের আগেই এখানকার কন্ডিশন পর্যবেক্ষণ ও কৌশল নির্ধারণকে প্রধান লক্ষ্য বানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

স্কোয়াডের বেশ কিছু নিয়মিত তারকাকে বিশ্রামে রাখায় এই সিরিজে ব্যাকবেঞ্চার ও প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটারদের বাজিয়ে দেখছে অজি টিম ম্যানেজমেন্ট। জাতীয় দলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মুখিয়ে থাকা তরুণদের জন্য এটি এক বড় পরীক্ষা।

জিম্বাবুয়ের ধীরগতির ও অসমান বাউন্সের উইকেটে নিজেদের মানিয়ে নেওয়া হবে অজি ব্যাটসম্যানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে স্বাগতিকদের সুশৃঙ্খল স্পিন আক্রমণের সামনে তাদের পরীক্ষা দিতে হবে বেশ ভালোভাবেই।

জিম্বাবুয়ের সিনিয়র ক্রিকেটারদের নজর অবশ্য কেবল একটি বিচ্ছিন্ন জয়ের ওপর নয়। তারা চান ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের হারিয়ে যাওয়া গৌরব ও সমীহ ফিরিয়ে আনতে।

সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি আর আত্মসম্মানের লড়াইয়ে দ্বিপাক্ষিক এই সিরিজটি দু দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।